
টঙ্গাইলের জমিদার বাড়িতে একদিন
ইভেন্ট বিবরণ
আমাদের এবারের ট্যুর পুরাই জমিদারময় 🙂
পাঁচটি জমিদার বাড়ি ঘুরে দেখার প্লান:
১। মহেড়া জমিদার বাড়ি
২। করটিয়া জমিদার বাড়ি
৩। দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি
৪। পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি
৫। বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
মহেড়া জমিদার বাড়ি:
১৮৯০ দশকের পূর্বে স্পেনের করডোভা নগরীর আদলে জমিদার বাড়ীটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জমিদার বাড়ির সামনেই রয়েছে ‘বিশাখা সাগর’ নামে বিশাল এক দীঘি। বাড়িতে প্রবেশের জন্য রয়েছে ২টি সুরম্য গেট। ভবনের পিছনে রয়েছে পাসরা এবং রানী পুকুর। শুভাবর্ধনে রয়েছে সুন্দর ফুলের বাগান। বিশাখা সাগর সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বে বিশাল আম্র কানন রয়েছে।
করটিয়া জমিদার বাড়ি:
টাঙ্গাইল শহর হতে ১০ কি.মি. দূরে পুটিয়ার তীর ঘেঁষে আতিয়ারচাঁদ খ্যাত জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্রাচীরঘেরা যেখানে রয়েছে লোহার ঘর, রোকেয়া মহল, রাণীর পুকুরঘাট, ছোট তরফ দাউদ মহল এবং বাড়িসংলগ্ন মোগল স্থাপত্যের আদলে গড়া মসজিদ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য।
দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি:
দেলদুয়ারের জমিদাররা জনদরদী ও দানবীর হিসেবে পরিচিত। জমিদাররা নামের শেষে গজনভি পদবী ব্যবহার করেন। এ বংশের পূর্বপুরুষরা আফগানিস্তানের গজনি থেকে এসেছিলেন দেখে নামের শেষে এ পদ অলংকার। ফতেহদাদ খান গজনভি লোহানি থেকে এ জমিদার বংশের পত্তন হয়েছে। এই জমিদার বংশের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি দ্বয় হচ্ছে স্যার আবদুল করিম গজনভি ও স্যার আবদুল হালিম গজনভি। এ ভাত্রিদ্বয় আবদুল হাকিম খান গজনভি এবং করিমুন নেসা খানম চৌধুরানীর সন্তান। করিমুন নেসা খানম চৌধুরানী ছিলেন বেগম রোকেয়ার বোন। বাড়িটি এখনও বেশ ভালো অবস্থায় আছে। জমিদার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিন কোনে দারুণ নান্দনিক মসজিদ।
পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি:
ইংরেজ আমলের শেষ দিকে এবং পাকিস্তান আমলের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তৎকালীন বৃটিশ রাজাধানী কলকাতার সাথে মেইল স্টিমারসহ মাল এবং যাত্রীবাহী স্টিমার সার্ভিস চালু ছিল। একপর্যায়ে নাগরপুরের সাথে কলকাতার একটি বানিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে পশ্চিম বঙ্গ কলকাতা থেকে আসেন রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল (ধনাঢ্য ব্যক্তি)।ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি পাকুটিয়ায় জমিদারী শুরু করেন। প্রায় ১৫ একর এলাকা জুড়ে একই নকশার পর পর তিনটি প্যালেস বা অট্টালিকা নির্মাণ করা হয় (১৯১৫)। তখন জমিদার বাড়িটি তিন মহলা বা তিন তরফ নামে পরিচিত ছিল।
প্রতিটি বাড়ীর মাঝ বরাবর মুকুট হিসাবে লতা ও ফুলের অলংকরণে কারুকার্য মন্ডিত পূর্ণাঙ্গ দুই সুন্দরী নারী মূর্ত্তি রয়েছে। এবং প্রতিটি মহলের রয়েছে নিজস্ব সৌন্দর্য। রেলিং টপ বা কার্নিশের উপর রয়েছে বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সুন্দর সুন্দর ছোট আকৃতির নারী মূর্ত্তি। এই অট্টালিকা গুলো পাশ্চত্তীয় শিল্প সংস্কৃতির এক অনন্য সৃষ্টি, যার লতাপাতার চমৎকার কারুকাজ গুলো মুগ্ধ করার মতো।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
এটি বাংলাদেশের ১৯ শতকে নির্মিত অন্যতম প্রাসাদ। একে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা বালিয়াটি প্রাসাদ বলেও ডাকা হয়।
মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা প্রাসাদটির সবগুলো ভবন একসাথে স্থাপিত হয় নি। এই প্রাসাদের অন্তর্গত বিভিন্ন ভবন জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্লকটি যাদুঘর। এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত।
ইভেন্ট ফি ও প্যাকেজ ক্যাটাগরি


🗺️ ইভেন্ট লোকেশন (Map View)
Google Maps-এ দেখুন↗দুঃখিত, এই ইভেন্টের নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে
আমাদের অন্যান্য অথবা পরবর্তী ইভেন্টগুলোতে চোখ রাখুন।
